জুন ২১, ২০২৪ ১২:২০ পূর্বাহ্ণ || ইউএসবাংলানিউজ২৪.কম

অপুর স্মৃতি ভুলতে পারছেন না মাহি

১ min read

জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি নতুন ঘর বেঁধেছেন। গত ১৩ সেপ্টেম্বর গাজীপুরের ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতা রাকিব সরকারকে বিয়ে করেছেন তিনি। মধ্যরাতে বিয়ের ছবি প্রকাশ করে খবরটি মাহি নিজেই জানান সবাইকে।

বিয়ের পর নতুন সংসারে মজে থাকলেও সিনেমার কাজ থেকে দূরে থাকছেন না মাহি। বিয়ের তিন দিন পরই তিনি শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন। স্বামী রাকিবকে নিয়েই আসেন সেটে। শিডিউল দেওয়া সিনেমাগুলোর কাজ গুছিয়ে এরপর যাবেন হানিমুনে।

এদিকে নতুন বিয়ে করলেও সাবেক স্বামী পারভেজ মাহমুদ অপুর স্মৃতি এখনো যত্নে রেখে দিয়েছেন মাহিয়া মাহি। তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে চোখ রাখলেই পাওয়া যায় সে প্রমাণ। মাহির ফেসবুকজুড়ে ভরে আছে তার প্রাক্তন স্বামীর সঙ্গে তোলা অসংখ্য ছবি। বিভিন্ন সময় তারা বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে গিয়েছেন, স্মৃতিঘেরা সেসব মুহূর্ত ফ্রেমবন্দি করেছেন; সেই স্মৃতিগুলো ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন মাহি।

ভিনদেশে তোলা একটি ছবি মাহি পোস্ট করেছিলেন ২০২০ সালের ৩০ জুন। সেখানে দেখা যায়, অপুকে জড়িয়ে আছেন তিনি। দু’জনের মুখেই হাসি। ক্যাপশনে মাহি লিখেছেন, ‘আমরা পারফেক্ট জুটি’।

জুলাই মাসের ৭ তারিখ অপুর জন্মদিন। গেল বছরের সেই দিনে দু’জনের তোলা একটি ছবি শেয়ার করে মাহি তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সে ছবিটিও জ্বলজ্বল করছে তার অ্যাকাউন্টে।

চলতি বছরের ২১ মার্চ একসঙ্গে বেশ কয়েকটি ছবি আপলোড করেছিলেন মাহি। যেখানে অপুর সঙ্গে তাকে দেখা গেছে সমুদ্রের কিনারে অবকাশ যাপনে। তারা একে-অপরের ঘনিষ্ঠ হয়েও ছবি তুলেছেন।

সর্বশেষ গত ২০ জুন অপুর সঙ্গে তোলা ছবি পোস্ট করেছিলেন মাহি। যেখানে দেখা যায়, অপু তাকিয়ে আছেন ক্যামেরার দিকে, আর মাহি তাকিয়ে রয়েছেন অপুর দিকে। ছবিটির ক্যাপশনে মাহি লিখেছেন, ‘তুমি না থাকার শোক অন্য কাউকে নিয়ে ভাবতে দেয় না। আমি তো তোমার দিকেই চেয়ে থাই, চোখ তো অন্যদিকে যায় না।’

সাধারণত দেখা যায়, বিবাহবিচ্ছেদের পর প্রাক্তন সঙ্গীর ছবি নিজের ফেসবুকে রাখেন না কেউ। তারকাদের ক্ষেত্রেও এমনটাই হয়। তবে মাহি এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। ভালোবেসে যে অপুকে বিয়ে করেছিলেন, বিচ্ছেদ এবং নতুন বিয়ের পরও তাকে নিজের প্রোফাইলে যত্ন করে রেখে দিয়েছেন তিনি।

মাহি ও অপু বিয়ে করেছিলেন ২০১৬ সালে। এর আগে ২০১৫ সালে শাওন নামের এক যুবককে বিয়ে করেছিলেন বলে জানা যায়।

Comments

comments

More Stories

১ min read
১ min read
১ min read

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!