ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২৪ ৩:৫১ পূর্বাহ্ণ || ইউএসবাংলানিউজ২৪.কম

হাসপাতাল থেকে ১৫৬ দিন পর বাসায় ফিরলেন খালেদা জিয়া

১ min read

১৫৬ দিন হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় নিয়ে আসা হয় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে।

খালেদা জিয়ার বাসায় ফেরার খবরে বসুন্ধরা আসাসিক এলাকার এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে ভিড় জমান বিএনপির নেতাকর্মীরা। তারা হাসপাতাল থেকে খালেদা জিয়ার গাড়ি বহরে যুক্ত হয়ে বাসা পর্যন্ত আসেন। বিকেল থেকে খালেদা জিয়ার বাসভবনের সামনে ভিড় জমান তারা।

এদিকে খালেদা জিয়ার আসার খবরে তার বাসভবনে আসেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানসহ অন্যান্য নেতারা।

এর আগে বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার বলেন, বিকাল ৫টার দিকে হাসপাতাল থেকে রওনা হয় খালেদা জিয়াকে বহনকারী গাড়ি বহর।

তিনি আরও বলেন, মেডিক্যাল বোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে শারীরিক কিছু জরুরি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর দীর্ঘ ১৫৬ দিন চিকিৎসা শেষে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে গুলশানের বাসায় ফেরেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

৭৮ বছর বয়সী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, হার্ট ও চোখের সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন। তার পেট ও বুকে পানি বৃদ্ধি এবং লিভারে রক্তক্ষরণ বন্ধে ২৬ অক্টোবর ট্রান্সজুগার ইন্ট্রাহেপাটিক পোর্টোসিস্টেমিক শন্ট (টিআইপিএস পদ্ধতি) নামে পরিচিত হেপাটিক পদ্ধতি সম্পন্ন করেন যুক্তরাষ্ট্রের তিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক।

২০২০ সালে শর্তসাপেক্ষে কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে হৃদ্‌রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে একটি মেডিকেল বোর্ডের অধীনে চিকিৎসা নিচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়ে পুরান ঢাকার কারাগারে পাঠানো হয়। পরে একই বছর দুর্নীতির আরেকটি মামলায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের মধ্যে গুলশানের বাসায় অবস্থান এবং দেশ ত্যাগ না করার শর্তে সরকার ২০২০ সালের ২৫ মার্চ এক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে সাময়িকভাবে মুক্তি দেয়। এরপর থেকে একাধিকবার জামিনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

Comments

comments

More Stories

১ min read
১ min read
১ min read

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!