মে ৩০, ২০২৪ ৬:৩৫ পূর্বাহ্ণ || ইউএসবাংলানিউজ২৪.কম

গাড়ি চালাতেন সন্দেহভাজন আকায়েদ

১ min read

নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে বাস টার্মিনালে বিস্ফোরণের ঘটনায় সন্দেহভাজন আটক বাংলাদেশি আকায়েদ উল্লাহ লিমোজন গাড়ির চালক ছিলেন। সোমবার সকালে টাইমস স্কয়ারের পার্শ্ববর্তী বন্দর কর্তৃপক্ষের বাস টার্মিনালে বিস্ফোরণে চারজন আহত হওয়ার পর আহত অবস্থায় আকায়েদকে গ্রেফতার করে নিউইয়র্ক পুলিশ। পুলিশের দাবি, আকায়েদকে গ্রেফতার করা না হলে তিনি দ্বিতীয় বিস্ফোরণ ঘটাতেন। আকায়েদ তার ব্রুকলিন অ্যাপার্টমেন্টে বসে অনলাইন নির্দেশনার মাধ্যমে বিস্ফোরক ডিভাইস তৈরির কৌশল শিখেছেন।

২৭ বছর বয়সী আকায়েদ উল্লাহ বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে আছেন। ব্রুকলিনে আকায়েদের একজন প্রতিবেশি উইন্ডসর তারেক জানান, কয়েক মাস ধরে আকায়েদকে দেখেননি তিনি। কিন্তু অাকায়েদের ঘরদোর সম্পর্কে জানান, সবসময় শান্তশিষ্ট থাকতো এবং ইসলামপন্থী ছিলেন তিনি। তবে চরমপন্থার সঙ্গে যায় এরকম কিছু দেখেননি তিনি।

আরেক প্রতিবেশি আরলেনি জগরাজ জানান, তিনি আসলেই ভাল মানুষ। এই ঘটনা একেবারে দুঃখজনক। আমরা একে অপরকে ভালভাবে জানি। রমজানে রোজা রেখে ইফতারের পর আমরা একসঙ্গে রাতের খাবার খাই।

বাংলাদেশের চট্টগ্রামের বাসিন্দা আকায়েদ। চলতি বছরের ৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ থেকে ঘুরে গেছেন তিনি। তবে তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে কোনো মামলা নেই।

যুক্তরাষ্ট্রেরও বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা তদন্ত করে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, কোনো সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার ব্যাপারে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে কোনো সংযোগ থাকার তথ্য যে পাওয়া যাবে না সেই সম্ভাবনা উড়িয়েও দেননি তারা।

পারিবারিক ভিসায় সাত বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন আকায়েদ উল্লাহ। নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুক্তরাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।

মার্কিন তদন্ত কর্মকর্তাদের বিশ্বাস, যুক্তরাষ্ট্রে আসার পর নিজের থেকেই উগ্রপন্থী মতাদর্শ লালন করেছেন আকায়েদ। ইন্টারনেটে জঙ্গি গোষ্ঠীদের প্রোপাগান্ডা দেখে তিনি উগ্রপন্থী হয়ে থাকতে পারেন। এছাড়া অনলাইনে ভিডিও দেখে বিস্ফোরক তৈরির কৌশল আকায়েদ শিখে থাকতে পারেন বলেও সন্দেহ করছেন তারা।

নিউইয়র্ক সিটি ট্যাক্সি এবং লিমোজিন কমিশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ২০১২ সালের মার্চ থেকে ২০১৫ সালের মার্চ পর্যন্ত আকায়েদ গাড়ি চালিয়েছেন।

নিউইয়র্কের গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমো জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি একাকী নেকড়ের মতো। নিউইয়র্ক শহরে সম্প্রতি যে হামলাগুলো হয়েছে তার সঙ্গে এটার মিল রয়েছে। ৩১ অক্টোবর ট্রাক চালিয়ে দেয়ার ঘটনায় আটজন নিহত হয়েছে। হামলাকারী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) মতো কোনো জঙ্গি গোষ্ঠীর আদর্শে বিশ্বাসী হয়ে থাকতে পারেন।

সূত্র : রয়টার্স

Comments

comments

More Stories

১ min read
১ min read
১ min read
error: Content is protected !!