ডিসেম্বর ৫, ২০২২ ২:১৪ অপরাহ্ণ || ইউএসবাংলানিউজ২৪.কম

ইউএস বাংলানিউজ, নিউইয়র্ক

অগ্রসর পাঠকের বাংলা অনলাইন

খাসোগির ছেলের সঙ্গে সৌদি বাদশাহ ও যুবরাজের সাক্ষাৎ

নিহত সাংবাদিক জামাল খাসোগির ছেলে ও ভাইয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন দেশটির বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।

২৩ অক্টোবর, মঙ্গলবার সৌদির রাজধানী রিয়াদের একটি প্রাসাদে তাদের সাক্ষাৎ হয়।

ওই সময় খাসোগির ছেলে সালাহ খাসোগির সঙ্গে বাদশাহ ও যুবরাজকে করমর্দন করতে দেখা যায়। 

ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, সাক্ষাতের সময় খাসোগির ছেলেকে বাদশাহ আবদুল আজিজ ও যুবরাজ সালমান সান্ত্বনা দিয়েছেন।

এর আগে খাসোগির ছেলের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন সৌদির যুবরাজ। ফোনে খাসোগির ছেলেকে তিনি সান্ত্বনা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, সৌদি আরব থেকে খাসোগির ছেলেকে বের হতে দেওয়া হচ্ছে না।

রিয়াদের একটি প্রাসাদে সৌদি বাদশাহ ও যুবরাজের সঙ্গে খাসোগির ছেলে। ছবি: সংগৃহীত

ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটের ভেতর সৌদি সাংবাদিক খাসোগি নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার পর টানা দুই সপ্তাহ সৌদি সরকার দাবি করে আসছিল, কনস্যুলেট থেকে খাসোগি জীবিত অবস্থায় বেরিয়ে গেছেন। এরপর ২০ অক্টোবর সকালে সৌদির জেনারেল প্রসিকিউটর নিশ্চিত করেন সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে হত্যা করা হয়েছে। দেশটির রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত টেলিভিশন ‘প্রাথমিক তদন্তের’ বরাত দিয়ে জানিয়েছে, তুরস্কের সৌদি কনস্যুলেটের ভেতরে ‘এক সংঘর্ষে’ খাসোগি নিহত হয়েছেন।

সৌদি বাদশাহর সঙ্গে করমর্দন করছেন খাসোগির ছেলে। ছবি: সংগৃহীত

সৌদি সরকারের ওই বক্তব্য নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে সন্দেহ সৃষ্টির পর এবার সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদেল আল-জুবায়ের ২১ অক্টোবর, রবিবার যুক্তরাষ্ট্রের টেলিভিশন চ্যানেল ফক্স নিউজকে দেওয়া বিশেষ এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, খাসোগিকে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা খুন করেছেন।

এর আগে সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছিল, খাসোগিকে জীবিত অবস্থায় টুকরা টুকরা করা হয়। তাকে হত্যা করতে মাত্র সাত মিনিট সময় নেওয়া হয়েছে। একজন সৌদি ফরেনসিকের নেতৃত্বে খাসোগির মৃতদেহ টুকরো করা হয়। সেই সময় ওই ফরেনসিক তার সহকর্মীদের গান শুনতে বলেন। হত্যা করার আগে খাসোগিকে নির্যাতন করা হয়েছে।

সৌদি রাজতন্ত্রের সমালোচক খাসোগি ২০১৭ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে স্বেচ্ছা-নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছিলেন। বিয়ের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র জোগাড়ে তিনি বাগদত্তাকে বাইরে রেখে ইস্তাম্বুলের কনস্যুলেটে প্রবেশ করেন। এর পর থেকেই তার খোঁজ নেই বলে দাবি করেছিল  বাগদত্তা হেতিস সেঙ্গিজ।

আরও পড়ুন

error: Content is protected !!