সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২২ ৭:০২ পূর্বাহ্ণ || ইউএসবাংলানিউজ২৪.কম

ইউএস বাংলানিউজ, নিউইয়র্ক

অগ্রসর পাঠকের বাংলা অনলাইন

ঐক্যফ্র‌ন্টের ইশতেহার ঘোষণা

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ইশতেহার ঘোষণা করে‌ছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। ১৭ ডিসেম্বর, সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর হোটেল পূর্বানীতে এই ইশতেহার ঘোষণা করেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন।

এর আগে বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে ইশতেহার ঘোষণার মঞ্চে উঠেন ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন।

লিখিত ইশতেহার পাঠের আগে এক বক্তৃতায় ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘জনগণকে দেশের মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। নির্বাচনে জয়ী হলে জনগণের মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়া হবে।’

এর পর শুরু হয় ইশতেহার ঘোষণা। সে সময় জাতীয় ঐক্য গড়া, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য আনা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও নাগরিকদের নিরাপত্তা বিধানসহ ঐক্যফ্রন্টের ১৪ প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করেন গণফোরামের সভাপতি।

ঐক্যফ্রন্টের অন্য প্রতিশ্রতিগুলো হলো- নির্বাচনকালীন সরকারের বিধান তৈরি করা হবে, পর পর দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকা যাবে না, বাতিল করা হবে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, বিচারবহির্ভূত হতাকাণ্ড এবং গুম পুরোপুরি বন্ধ করা হবে, প্রথম বছর বাড়বে না বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম, পিএসসি-জেএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হবে, নিশ্চিত করা হবে প্রবাসীদের ভোটাধিকার, সব নাগরিকদের স্বাস্থ্য কার্ড দেওয়া হবে, অর্থ পাচার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে ও পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনা হবে, পুলিশ ও সামরিক বাহিনী ব্যতীত চাকরিতে প্রবেশের কোনো বয়সসীমা থাকবে না।

জোটের পক্ষ থেকে প্রথম দফায় নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে এবং ডিসেম্বরের ৮ তারিখে ইশতেহার ঘোষণার কথা বললেও পরে তা স্থগিত করা হয়।

ইশতেহার ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, গণফোরাম নেতা সুব্রত চৌধুরী, মোস্তফা মহসিন মন্টু প্রমুখ ও ড. রেজা কিবরিয়া প্রমুখ।

চলতি বছরের ১৩ অক্টোবর বিএনপিসহ কয়েকটি দল নিয়ে গঠিত হয় ঐক্যফ্রন্ট।

জোট গঠনের পরপরই ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে ইশতেহার তৈরির জন্য ৬ সদস্যের কমিটি করা হয়। কমিটিতে বিএনপি থেকে মাহফুজ উল্লাহ, গণফোরাম থেকে আ ও ম শফিক উল্লাহ, নাগরিক ঐক্য থেকে ডা. জাহেদ উর রহমান, জেএসডি থেকে শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের অধ্যক্ষ ইকবাল সিদ্দিকী এবং ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে রাখা হয়।

আরও পড়ুন

error: Content is protected !!