নভেম্বর ২৯, ২০২২ ৯:২৬ পূর্বাহ্ণ || ইউএসবাংলানিউজ২৪.কম

ইউএস বাংলানিউজ, নিউইয়র্ক

অগ্রসর পাঠকের বাংলা অনলাইন

গুণী চলচ্চিত্র নির্মাতা আমজাদ হোসেন আইসিইউতে ভর্তি

গুণী চলচ্চিত্র নির্মাতা আমজাদ হোসেন ব্রেন স্ট্রোক করেছেন। তাকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে। সেখানে ৭২ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে থাকবেন তিনি।

১৮ নভেম্বর, রবিবার এ তথ্য জানিয়েছেন চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার।

তিনি বলেন, ‘আমজাদ ভাই আজ (রবিবার) সকালে ব্রেন স্ট্রোক করেছেন। রাজধানীর তেজগাঁওয়ের ইমপালস হাসপাতালে এখন চিকিৎসাধীন।’

ওই হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগের চিকিৎসক মহিউদ্দিনের অধীনে আমজাদ হোসেনের চিকিৎসা চলছে।

গুলজার বলেন, ‘আমজাদ ভাইকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) ৭২ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তার অবস্থা সংকটাপন্ন।’

আমজাদ হোসেনের ছেলে নির্মাতা অভিনেতা সোহেল আরমান একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘সকালে হঠাৎ করেই খেয়াল করি, আব্বা হাত-পা নাড়তে পারছিলেন না। তখনই আব্বাকে নিয়ে হাসপাতালে যাই। ডাক্তার কিছু পরীক্ষা শেষে জানালেন, আব্বা ব্রেন স্ট্রোক করেছেন।’

‘এরপরই চিকিৎসক আব্বাকে আইসিইউতে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। সবার কাছে আমার আব্বার জন্য দোয়া চাই।’

মাস ছয়েক আগে থাইল্যান্ডের সুকুমভিত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন আমজাদ হোসেন। সেখানে তার ক্ষুদ্রান্ত্রে দুটি সফল অস্ত্রোপচার হয়েছিল। তার খাদ্যনালি ও শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা রয়েছে।

আমজাদ হোসেন ১৯৬১ সালে ‘হারানো দিন’ চলচ্চিত্রে অভিনয় দিয়ে এ অঙ্গনে আসেন। পরে চিত্রনাট্য রচনা ও নির্মাণে মনোনিবেশ করেন।

১৯৬৭ সালে আমজাদ হোসেন ‘আগুন নিয়ে খেলা’ নামে প্রথম চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। পরে তিনি ‘নয়নমনি’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘ভাত দে’র মতো চলচ্চিত্র নির্মাণ করে বেশ প্রশংসিত হন।

‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ ও ‘ভাত দে’ চলচ্চিত্রের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পরিচালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। এ ছাড়া শিল্পকলায় অবদানের জন্য সরকার তাকে একুশে পদক ও স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করে।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির আজীবন সদস্য আমজাদ হোসেন । সাহিত্য রচনার জন্য তিনি ১৯৯৩ ও ১৯৯৪ সালে দুবার অগ্রণী শিশু সাহিত্য পুরস্কার এবং ২০০৪ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান।

আরও পড়ুন

error: Content is protected !!