JavaScript must be enabled in order for you to see "WP Copy Data Protect" effect. However, it seems JavaScript is either disabled or not supported by your browser. To see full result of "WP Copy Data Protector", enable JavaScript by changing your browser options, then try again.
‘করোনাভাইরাস দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ’

‘করোনাভাইরাস দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ’

করোনাভাইরাস মহামারি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেসে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, এই মহামারি কঠিন অর্থনৈতিক মন্দা এনে দিতে পারে, যার সমকক্ষ সম্ভবত বিগত অতীতে দেখা যায়নি।

‘আর্থ-সামাজিক কর্মকাণ্ডের ওপর করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য প্রভাব’ শীর্ষক জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদন প্রকাশকালে এ আশঙ্কার কথা জানান জাতিসংঘ মহাসচিব।

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস এ পর্যন্ত বিশ্বের ৪২ হাজার জনের প্রাণ নিয়েছে। এতে আক্রান্ত হয়েছে ৮ লাখ ৬০ হাজারের বেশি।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়। তবে মৃত্যু সংখ্যাতেও চীনকে ছাড়িয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। সিএনএন হেলথের হিসাবে, দেশটিতে বর্তমানে মোট মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ৭৭৪ জন। বিপরীতে চীনে মারা গেছেন মোট ৩ হাজার ৩০৫ জন। এছাড়া দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা পৌনে দুই লাখ।

করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) যুক্তরাষ্ট্রে এক লাখ মানুষ মারা যাবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন দেশটির শীর্ষ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ড. টনি ফৌসি।

স্পেনে গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৪৯ জন মারা গেছে করোনাভাইরাসে এবং একদিনের হিসেবে এটাই স্পেনের সর্বোচ্চ প্রাণহানির রেকর্ড।

করোনায় সবচেয়ে বেশি মারা গেছে ইতালিতে, ১২ হাজার ৪২৮ জন। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ৫ হাজার ৭৯২।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মারা গেছেন স্পেনে, ৮ হাজার ৪৬৪। তবে চীনে প্রকৃত মৃতের সংখ্যা (সরকারি হিসাব ৩ হাজার ৩০৫ জন) নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

জার্মানিতে মোট আক্রান্ত ৭১ হাজার ৮০৮, মারা গেছে ৭৭৫ জন। ফ্রান্সে মারা গেছে ৩ হাজার ৫২৩ জন। দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ৫২ হাজার ১২৮ জন।

যুক্তরাজ্যের এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে মোট ২৫ হাজার ১৫০। আর মারা গেছে ১ হাজার ৭৮৯ জন। সুস্থ হয়েছে মাত্র ১৩৫ জন।

জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, ‘এই নতুন করোনাভাইরাস সমাজের কেন্দ্রবিন্দুতে আঘাত হানছে, হাজার হাজার মানুষের জীবন ও জীবিকা কেড়ে নিচ্ছে।’

‘জাতিসংঘ গঠনের পর থেকে এ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে আমরা যেসব সমস্যার সম্মুখীন হয়েছি, তার মধ্যে সবচয়ে বড় পরীক্ষা কোভিড-১৯’-বলেন গুতেরেস।

এই অবস্থায় সংক্রমণ কমাতে ও এই মহামারির শেষ দেখতে জরুরি ভিত্তিতে ও সমন্বয়ের মাধ্যমে স্বাস্থ্য বিষয়ে সাড়া দিতে আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ প্রধান। একই সঙ্গে, এই সংকটময় মুহূর্তে স্বল্প উন্নত দেশগুলোর সহায়তায় শিল্পোন্নত দেশগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

রিপোর্টে জাতিসংঘ বলেছে, করোনা মহামারির কারণে বিশ্বে চাকরি হারাতে পারেন প্রায় ২৫ মিলিয়ন (আড়াই কোটি) মানুষ। একই সঙ্গে, বৈশ্বিক বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ কমে যাবে ৪০ শতাংশ।

সূত্র : বিবিসি

Comments

comments

error: Content is protected !!