JavaScript must be enabled in order for you to see "WP Copy Data Protect" effect. However, it seems JavaScript is either disabled or not supported by your browser. To see full result of "WP Copy Data Protector", enable JavaScript by changing your browser options, then try again.
রেলে আসছে ২০০ যাত্রীবাহী কোচ

রেলে আসছে ২০০ যাত্রীবাহী কোচ

যাত্রী সেবার মান বাড়াতেরেলে যোগ হচ্ছে ২০০টি যাত্রীবাহী কোচ। মিটারগেজ (এমজি) যাত্রীবাহী এসব কোচ কিনতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৯২৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা। এর মধ্যে চীন থেকে পাওয়া যাবে ব্যয় ৭১৩ কোটি ৫১ লাখ টাকা। আর সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ২১৩ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এজন্য ‘বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য ২০০টি এমজি যাত্রীবাহী কোচ সংগ্রহ’ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক)।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

তিনি বলেন, আজকের একনেক সভায় ৮ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ৩ হাজার ৪৮৮ কোটি ২ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ১ হাজার ৪৪০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা, প্রকল্প সাহায্য ২ হাজার ২৭ কোটি ৭১ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ২০ কোটি ২৪ লাখ টাকা।

বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য ২০০টি এমজি যাত্রীবাহী কোচ সংগ্রহ প্রকল্পটি সম্পর্কে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, এখনও রেল কোচ তৈরির সক্ষমতা আমাদের হয়নি। তবে রেলওয়ের উন্নয়নে গৃহীত মহাপরিকল্পনার আওতায় অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশেও রেল কোচ তৈরি হবে। বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা না থাকলে দেশের সব জেলাকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ৯২৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে দেয়া হবে ২১৪ কোটি টাকা আর চীনের কাছ থেকে প্রকল্প সাহায্য পাওয়া যাবে ৭১৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা।

একনেক সভায় অনুমোদিত অন্য প্রকল্পগুলো হলো- রুরাল ইলেকট্রিফিকেশন আপগ্রেডেশন প্রজেক্ট (রাজশাহী, রংপুর, খুলনা ও বরিশাল বিভাগ) প্রকল্প। এটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৩৯৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে দেয়া হবে ৩৫৩ কোটি ৭২ লাখ আর প্রকল্প সাহায্য হিসেবে জাইকা দেবে এক হাজার ৪৬ কোটি ১১ লাখ টাকা।

প্রকল্পটি তৃতীয় বারের মতো সংশোধিত আকারে অনুমোদন পেয়েছে। প্রকল্পে অনুমোদন দেয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে স্থাপিত সোলার প্যানেলগুলোকে ভবিষ্যতে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান মন্ত্রী।

শ্যামগঞ্জ-জারিয়া-বিরিশিরি-দুর্গাপুর জেলা মহাসড়ককে জাতীয় মহাসড়কমানে উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩১৬ কোটি। ঢাকার আজিমপুরে জুডিসিয়াল কর্মকর্তাদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণ প্রকল্পটিতে সরকারের ব্যয় হবে ৯৬ কোটি ২২ লাখ টাকা।

পটুয়াখালী মেডিকেল ও হাসপাতাল স্থাপন প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৮৪ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে জিওবি ৩১৬ কোটি টাকা এবং ভারতীয় ঋণের আওতায় প্রকল্প সাহায্য ২৬৮ কোটি ৮ লাখ টাকা। সুরেশ্বর খাল পুনঃখনন ও নিষ্কাশন প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৯ কোটি ৬ লাখ টাকা। কুড়িগ্রাম জেলার তিস্তা নদীর তীর রক্ষা সংক্রান্ত একটি প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

এছাড়া ৫০ কোটি ২৯ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রতিবন্ধীদের জন্য ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত প্রয়াস কেন্দ্রের সম্প্রসারণ প্রকল্প অনুমোদন দে্ওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সেনাবাহিনী দেবে ২০ কোটি ১৪ লাখ টাকা। আর বাকি টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে দেওয়া হবে।

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: Content is protected !!